বাংলাদেশি ভ্যাকসিন কবে আসবে জানালেন আসিফ মাহমুদ

করোনাভাই’রাস বা কোভিড-১৯ প্রতিরোধে বিভিন্ন দেশ ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে চীন দেশটির সেনাবাহিনীর মধ্যে প্রয়োগের জন্য একটি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে। এছাড়া রাশিয়াও ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে।

ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছে এমন দেশের তালিকায় নাম রয়েছে বাংলাদেশেরও। গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড এ ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছে। প্রতিষ্ঠানটির ভ্যাকসিন এনি’ম্যাল ট্রায়াল চলছে। ট্রায়ালের ফলাফল ভালো বলে দাবি করছে তারা। শিগগিরই মানুষের শরীরেও ভ্যাকসিনটি পরীক্ষা করা হবে।

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরের ডিসেম্বর অথবা আগামী বছরের জানুয়ারির শুরুতে করোনার ভ্যাকসিন বাজারে আসবে বলে আশা করছি।

ডা. আসিফ মাহমুদ বলেন, চলতি মাসের মধ্যে আমরা হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য আবেদন করব। এরপর বিএমআরসি (বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল) কত দ্রুত আমাদের অ্যাপ্রুভাল দেবে, আমাদের প্রটোকল অনুযায়ী সবকিছু যদি হয় তাহলে বলতে পারি চলতি বছরের ডিসেম্বর অথবা আগামী বছরের জানুয়ারির শুরুতে আমরা ভ্যাকসিন বাজারে আনতে পারব।

তিনি বলেন, পুরোটা আমাদের হাতে নেই, বিএমআরসি, সরকারসহ অনেক বিষয় জড়িত। সবকিছু যদি ঠিকঠাক হয় তাহলে সেটাই আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। গ্লোব বায়োটেকের প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা এখন হিউম্যান ট্রায়ালে যাচ্ছি আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের ভেতরে। অ্যানিমেল ট্রায়াল সফল হয়েছে কিনা- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, শতভাগ সফল।

উল্লেখ্য, দেশে প্রথম গ্লোব বায়োটেক ফার্মা গত ২ জুলাই ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়। সব পর্যায়ের কাজ শেষ করতে পারলে আগামী ৬ থেকে ৭ মাসের মধ্যে এই টিকা বাজারজাত করা যাবে বলে দাবি করছে প্রতিষ্ঠানটি।

সূত্র: সময় নিউজ।