রাখাইনে সেনা সমাবেশের প্রতি’বাদ জানাতে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব

ফাইল ছবি

সীমান্তে মিয়ানমার সেনাদের দু-তিনদিন ধরে স’ন্দেহজনক গতিবিধির কারণে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ঢাকা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দূতকে ডেকে নিয়ে মৌখিক প্রতি’বাদ ও উ’দ্বেগের কথা জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্র সীমান্তে মাছ ধরার ট্রলারে করে মিয়ানমারের সেনাদের টহল এবং রাখাইনে তাদের সরব উপস্থিতির বিষয়ে উ’দ্বেগ ও প্রতি’বাদ জানাতে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার উইংয়ের মহাপরিচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা উনাকে ডেকেছিলাম এবং আমাদের উ’দ্বেগের কথা জানিয়েছি। বলেছি, তিনি যেন যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের বার্তা পৌঁছে দেন।’ গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার হাজার খানেক বর্মী সেনা টেকনাফ সীমান্তে ৩টি পয়েন্টে টহল দিয়ে উত্তে’জনাপূর্ণ রাখাইনে প্রবেশ করে। সে’নাদের সন্দে’হজনক ওই মুভমেন্ট শান্ত সীমান্ত অশান্ত করা এবং রাখাইন অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা হিসাবে দেখছে ঢাকা।

ঢাকার কর্মকর্তারা বলছেন, বিনা উস্কা’নিতে এভাবে সীমান্তের কাছে নতুন করে সেনাসমাবেশের প্রতি’বাদে ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে রবিবার বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে আনা হয়। সীমান্তে বর্মী বাহিনীর অপ’তৎপরতা বন্ধ এবং সব ধরণের ভুল–বো’ঝাবুঝি অবসানে উদ্যো’গ নিতে মিয়ানমারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলেছে ঢাকা।

প্রসঙ্গতঃ ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। আগে থেকে বাংলাদেশে ছিল আরও চার লাখ রোহিঙ্গা। আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে ২০১৭ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও সেই প্রত্যাবাসন আজও শুরু হয়নি।

গত বছর দু’দফায় প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও রাখাইন রাজ্যের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কার কথা তুলে ধরে ফিরতে রাজি হননি রোহিঙ্গারা।