ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক একে অপরের সহায়ক : ওবায়দুল কাদের

ভারত-বাংলাদেশ পারস্পরিক উন্নয়ন সম্পর্ক এগিয়ে নিতে দুই দেশ একে-অপরের সহায়ক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রোববার ভারতীয় ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প এবং অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় নিজ সরকারি বাসভবন থেকে ভি’ডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা সরকার কূটনৈ’তিক দক্ষতা দিয়ে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বৈরি’তার বিপরীতে গড়ে তুলেছেন আস্থার সম্পর্ক এবং যার ধারাবাহিকতায় ভারতীয় ঋণ কর্মসূচির আওতায় যৌথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। তাই ভারত-বাংলাদেশ পারস্পরিক উন্নয়ন সম্পর্ক এগিয়ে নিতে দুই দেশ একে-অপরের সহায়ক।

বাইরের প্রকল্পের অফিস ঢাকায় থাকায় ক্ষো’ভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, পুরো ঢাকা শহরজুড়ে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে, এসবের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু। বেইলি রোড, বনানী, গুলশান, বনানী কবরস্থানে পাশে, শ্যামলী, মিরপুরসহ যেখানে যাই সেখানেই সড়ক ও প্রকল্পের অফিস। এত অফিস হলে আলাদা করে সড়ক ভবন কেন?

ভবিষ্যতে প্রকল্প গ্রহণের সময় অফিসসহ অন্যান্য স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অধিকাংশই ঢাকায় অফিস করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দেখা গেল সেতু নির্মিত হচ্ছে নারায়ণগঞ্জে, আর প্রকল্প কর্মকর্তারা অফিস করছেন ঢাকায়। এর কারণেও প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বিত হচ্ছে।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি সরকারের যৌথ অর্থায়নে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নারায়ণগঞ্জ বন্দরে শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর তৃতীয় শীতালক্ষ্যা সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটি ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে উদ্বোধন করলেও এখনো কা’ঙ্ক্ষিত গতি পায়নি। সেতুটির দৈর্ঘ্য প্রায় সোয়া এক কিলোমিটার। পাশাপাশি এর সঙ্গে দুই কিলোমিটারের বেশি সংযোগ সড়কও নির্মিত হবে।

ভার্চুয়াল এই সভায় আরো সংযুক্ত ছিলেন- বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাস, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।