পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা!

ভারত রপ্তানি বন্ধের পরদিনই দেশে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ২০-৩০ টাকা। ভারতের ঘোষণায় ঢাকার খুচরা বাজারে রাতারাতি মশলাজাতীয় পণ্যটির দাম বাড়ায় অনেক ক্রেতাই পেঁয়াজ কিনতে এসে শূন্য হাতে ফিরে গেছেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মিরপুর-২, কাজীপাড়া, কচুক্ষেত ও হাতিরপুল বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, গতকাল (সোমবার) ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেয়ায় হঠাৎ করেই প্রচুর ক্রেতা দোকানে ভিড় করেছেন পেঁয়াজ কেনার জন্য। তবে বেশ কিছু দোকানেই পেঁয়াজ না পেয়ে শূন্য হাতেই ফিরতে হয়েছে ক্রেতাদের। মিরপুর-২ ও ১০ এর কয়েকটি দোকান ঘুরে দেখা যায়, এসব দোকানে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। আর দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। কোনো কোনো দোকানে ৯০ টাকা দাম হাঁকাতেও দেখা গেছে।

এদিকে মিরপুর কাজীপাড়ার পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মুন্সি মিয়া জানান, গতকাল বিকেল থেকেই পেঁয়াজের বিক্রি বেড়ে গেছে। ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। আমার কাছে দুই বস্তা পেঁয়াজ ছিল তা বিক্রি হয়ে গেছে। আজ যে কত দামে কিনে কত বিক্রি করবো, তা বলতে পারছি না। কাজীপাড়ার আরেক পেঁয়াজ-আলু বিক্রেতা আব্দুল খালেক বলেন, শুনলাম ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে।

তাই পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরাও দাম বাড়িয়েছি। আজ মনে হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা আরো বাড়বে। এদিকে কারওয়ান বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী রাশেদুল ইসলাম শান্ত বলেন, পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ার আশ’ঙ্কায় পেঁয়াজ কিনতে এসেছি। ৫ কেজি পেঁয়াজ ৩৫০ টাকা দিয়ে কিনলাম। কাল এর দাম ছিল ৩০০ টাকা। অর্থাৎ ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

কারওয়ান বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারে দাম কমে গেলে তারাও পেঁয়াজের দাম কমিয়ে দেবেন।

সূত্র: আরটিভি অনলাইন।