তিতাসের কোনো দোষই খুঁজে পায়নি সংস্থাটির তদন্ত কমিটি

নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বি’স্ফো’রণের ঘটনায় তিতাসের কোনো দোষই খুঁজে পায়নি সংস্থাটির তদন্ত কমিটি। যদিও কমিটি বলছে, বিদ্যুতের লাইন পরিবর্তনের কারণে মসজিদে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরিত হয়ে ভয়াবহ এই দু’র্ঘটনা ঘটেছে। আর এই গ্যাস জমে থাকার দায় অবৈ’ধ সংযোগ যারা নিয়েছেন তাদের নিতে হবে বলে সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।

মসজিদ তৈরির আগে সরকারি কোনো সংস্থার অনুমোদনও নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি। এই রিপোর্ট মন্ত্রণালয় আরও খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রী বলেছেন, এত বড় দু’র্ঘটনার দায় কোনো পক্ষই এড়াতে পারে না। ভ’য়াবহ বি’স্ফোর’ণে মসজিদে পুড়ে মা’রা গেছেন ৩১ জন মানুষ। নারায়ণগঞ্জের তল্লায় এই বি’স্ফো’রণের কারণ কী, কীভাবে হলো তা জানতে কাজ করেছে বেশ কয়েকটি তদন্ত কমিটি। স্থানীয়দের অভিযোগের আঙুল ছিলো তিতাস গ্যাসের দিকে।

প্রতিষ্ঠানটির তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, মসজিদের বিদ্যুৎ সংযোগ ছিলো অ’বৈধ। ঘটনার দিন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় বিকল্প লাইনটি চালু করতে গেলেই শ’র্ট সার্কিট হয়। আর মসজিদের অভ্যন্তরে আগে থেকেই পাইপলাইন ছিদ্র থাকায় গ্যাসও জমে ছিলো। যার ফলাফল, নি’র্মম এই ঘটনা।

তিতাস জানিয়েছে, মসজিদ সংল’গ্ন এলাকায় তিতাসের রাইজার মাটির নীচে চাপা দিয়ে সেখান থেকে অ’বৈধ সংযোগ দিয়েছিলেন স্থানীয় শওকত ও দেওয়ান। আবার কোনো অনুমোদন ছাড়া মসজিদের ভবন তৈরির তথ্যও পেয়েছেন তারা। তাই এই দু’র্ঘটনার দায় নিতে নারাজ সংস্থাটি। তারা আরও বলেছেন, মসজিদের নিচ দিয়ে যাওয়া পাইপলাইন সরাতে ঘু’ষ চেয়েছিলেন তিতাস কর্মকর্তারা- এমন অভিযোগেরও কোনো সত্যতা নেই।

ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য সংস্থা স্পষ্ট করেই বলেছে, গ্যাস লাইন থেকে এই বি’স্ফো’রণ। সাথে বিদ্যুতের অ’বৈধ সংযোগ তো আছেই। কাজেই এতো মানুষের মৃ’ত্যুর দায় কী কোনোভাবেই এড়াতে পারে বিদ্যুৎ ও জ্বা’লানি মন্ত্রণালয়?

সূত্র: যমুনা নিউজ।