সীমান্ত নিয়ে বেশিরভাগ প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গেই বি’রোধ চলে চিনের

ভারতের সঙ্গে তো বটেই। অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গেও কিন্তু এই মুহুর্তে চিনের বি’রোধ সপ্তমে চড়ে রয়েছে। সীমান্ত নিয়ে নিজের প্রায় বেশিরভাগ প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গেই বি’রোধ চলে চিনের। জানা গিয়েছে, বুধবার চিনের প্রতিবেশী দেশ তাইওয়ানের আকাশ সীমানার কাছাকাছি নিজেদের যু’দ্ধবিমান ওড়াচ্ছিল চিন। তাইওয়ান যখন চিনা বিমানকে এ ব্যাপারে সতর্কতা হিসেবে ওয়ার্নিং দেয়, তৎক্ষণাৎ পিছন দিকে মুখ ঘুরিয়ে ফিরে আসে চিনা যু’দ্ধ বিমান।

উল্লেখ্য, এমন সময় এ ঘটনা ঘটল, যখন কিনা তাইওয়ানে আসতে চলেছেন আমেরিকার এক আধিকারিক। খবর মোতাবেক, চিনের দুটি অ্যান্টি সাবমেরিন ফাইটার জেট তাইওয়ানের আকাশ সীমায় প্রবেশ করেছিল। তাত্ক্ষণিকভাবে তাইওয়ান বায়ুসেনা ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রক চিনা যু’দ্ধবিমানকে ফিরে যেতে বলে, অ’ন্যথায় চরম পরিণতির মুখোমুখি হতে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়। আর এরপরেই দ্রুত ফিরে যায় চিনা ফাইটার জেট।

অভিযোগ, চিন প্রায়শই তাইওয়ানের বায়ু এবং জলের সীমায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। তাইওয়ান এ বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবেও অভিযোগ করেছে। এমন সময় এই চিনা বিমান তাইওয়ান সীমান্তে দেখা গেল, যখন কিনা এক মার্কিন আধিকারিক তাইওয়ানে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই তাইওয়ান এবং চিন উভয়েই নিজ নিজ সামুদ্রিক সীমানায় সামরিক মহড়া চালিয়েছিল। তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি সাই ইং ওয়েন জানান, আমরা চিনকে বলতে চাই, আমরা দুর্বল নই। আমরা আমাদের মাটিতে চিনা অনুপ্রবেশ রোধ করতে স’ক্ষম। যদি চিন কোনও অনি’য়ন্ত্রিত কাজ করে তবে তারা জবাব দেবে।

উল্লেখ্য, তাইওয়ানের সঙ্গে চিনের বি’রোধ দীর্ঘদিনের। চিনের দাবি, তাইওয়ানের কয়েকটি দ্বীপপুঞ্জ তার ভূখ’ণ্ডের আওতায় পড়ে। অন্যদিকে তাইওয়ানের দাবি, ওই দ্বীপপুঞ্জ তাঁদেরই। রাষ্ট্রপতি সাই ইং ওয়েন চলতি বছরের জানুয়ারিতেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, তিনি কখনই চিনের কাছে মাথানত করবেন না। একইসঙ্গে কয়েক মাস আসে দশ বছরের ইতিহাসে বৃহত্তম প্রতিরক্ষা বাজেটও উপস্থাপন করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, তাইওয়ানের মাথায় হাত রয়েছে আমেরিকার। তাইওয়ান আর্মির মালিকানাধীন বেশিরভাগ অ’স্ত্র আমেরিকান। ইউএস আর্মি তাইওয়ানীয় সেনাদের প্রশিক্ষণও দেয়। চিনের কাছে অনেক বেশি অ’স্ত্র ও বা’হিনী থাকলেও তাইওয়ান কখনও চিনের শক্তি দেখে ভয় পায় না।

সূত্র: কলকাতা২৪x৭।