এবার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করার দাবি

দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ২৫টি প্রতিষ্ঠান সাড়ে ৫৭ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেলেও শিগগিরই তা বাজারে আসছে না। ৭টি দেশ থেকে আসতে সময় লাগবে অন্তত ১৫ থেকে ২০ দিন। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, তাদের পেঁয়াজ বাজার আসলে ভারতীয় পেঁয়াজ যেন আমদানি বন্ধ রাখা হয়। এদিকে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ৬৫ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে স্থির রয়েছে দাম।

দেশে বছরে পেঁয়াজ আমদানি করতে হয় অন্তত থেকে ৮ লাখ মেট্রিক টন। যার পুরোটাই আসে ভারত থেকে। ভারত যখন পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের আগে থেকেই দাম বাড়াতে শুরু করে। তখনই চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যৎ সংকটের কথা মাথায় রেখে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নিতে শুরু করে। তিন সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ২৫টি প্রতিষ্ঠান ৭টি দেশ থেকে সাড়ে ৫৭ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আনার অনুমতি নেয়।

চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর উদ্ভিদ সংঘনিরোধ কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক ড. মো. আসাদুজ্জামান বুলবুল বলেন, ৫৭ হাজার ৪শ ৮৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজের আমদানি অনুমতি পত্র আমরা ইস্যু করেছি। চীনা, মায়ানমার, পাকিস্তান থেকে এই পেঁয়াজ আসবে। এক’শো ৫০টি আমদানির অনুমতিপত্র ইস্যু হলেও ১৫ থেকে ২০ দিন লাগবে চীন, তুরস্ক, মিশর, পাকিস্তনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আসতে। ব্যবসায়ীদের দাবি, তাদের পেঁয়াজ বাজারে আসলে সরকারের কাছে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের নিশ্চয়তা চান তারা।

খাতুনগঞ্জে ট্রেডিংয়ের ম্যানেজার অজিদ বাবু বলেন, মিয়ানমার থেকে আমাদের পেঁয়াজ আনা হয়। এগুলো যদি এলসি হয়। আসতে আসতে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগবে। এদিকে বাজার সামাল দিতে দ্রুত বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আনার দাবি ব্যবসায়ীদের। এক ব্যবসায়ী বলেন, তুরস্ক, চীনা সবাই এলসি করতেছে। এগুলো আসতে সময় লাগবে ২০ দিনের মতো।

চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক সৈয়দ ছগির আহমেদ বলেন, ভারতের নির্ভরশীলতার কারণে আজকে আমাদের যে সমস্যা হয়েছে, এই সংকট কাটাতে আমাদের বিকল্প পদ্ধতির কথা চিন্তা করতে। আর বিকল্প পদ্ধতিতে পেঁয়াজ আমদানি না করতে পারলে এই সংকট কেটে ওঠা সম্ভব হবে না।

ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তে পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে হু হু করে বেড়ে ৪৫ টাকার পেঁয়াজ গিয়ে ঠেকে ৭০ টাকায়। এখনো সেই দামই স্থির আছে।

সূত্র: সময় নিউজ।