বাকশাল ছাড়া অর্থনৈতিক মুক্তি হবে না : আ ক ম মোজাম্মেল হক

মুক্তিযু’দ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, একটা সময় বাকশাল অনেকের কাছে গা’লি বলে বিবেচিত হলেও এটি ছাড়া এই জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি হবে না। বঙ্গবন্ধু দেশের মানুষকে অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে যে কর্মসূচি নিয়েছিলেন, সেটাই বাকশালের মধ্যে ছিল। দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি মিললেই জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আওয়ামী লীগের প্রয়াত দুই সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম ও অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন স্ম’রণে ‘জনতার প্রত্যাশা’ আয়োজিত সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে গড়ে তুলতে হবে। এটা করতে সক্ষ’ম হলেই মোহাম্মদ নাসিম ও সাহারা খাতুনের আত্মা শান্তি পাবে।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের নেতাকর্মীরা যতই হারিয়ে যাচ্ছেন, ততই শ’ঙ্কিত হচ্ছি। ক্রান্তিকালে আওয়ামী লীগকে কর্মীরাই টিকিয়ে রাখেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। পঁচাত্তরে আওয়ামী লীগের ভেতরেই খন্দকার মোশতাকরা ছিলেন। সাচ্চা আওয়ামী লীগ দাবি করা মোশতাকরাই সেদিন বঙ্গবন্ধুর রক্ত শুকানোর আগেই বঙ্গভবন কিংবা রেডিও স্টেশনে গিয়েছিলেন। মাঝেমধ্যে আমরাই কেবল লোক চিনতে ভুল করি।

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বলেন, করোনাকালে একমাত্র আওয়ামী লীগই জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও মন্ত্রীরা করোনায় আক্রা’ন্ত হচ্ছেন। করোনায় অনেক নেতাকে আমরা হারিয়েছি। অন্যদিকে বিএনপি ঘর থেকেই বের হয় না, তারা জনগণের সঙ্গেও নেই। বিএনপি নেতারা কেবল টেলিভিশনেই বড় বড় কথা বলছেন।

জনতার প্রত্যাশার সভাপতি এমএ করিমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর আহমেদের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, মহানগর নেতা নুরুল আমিন রুহুল এমপি, ডা. দিলীপ রায়, মুক্তিযো’দ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রনি, সাদেক হোসেন, রোকন উদ্দিন পাঠান, হুমায়ুন কবির মিজি প্রমুখ।

সূত্র: সমকাল।