আর্জেন্টিনার ৩০ জনের দলেও ডাক পেল না আগুয়েরো-ডি মারিয়া

ইনজুরি থেকে এখনও পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেননি সার্জিও আগুয়েরো, যোগ দেননি ম্যানচেস্টার সিটির অনুশীলনে। তাই তার আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে না থাকা বেশ অনুমেয়ই ছিল। কিন্তু ভিন্ন অবস্থা প্যারিস সেইন্ট জার্মেই ফরোয়ার্ড অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার।ইউরোপিয়ান ফুটবলের সবশেষ মৌসুমে পিএসজির হয়ে দুর্দান্ত খেলেছেন ডি মারিয়া। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির রানার্স আপ হওয়ার পেছনে রেখেছেন বড় অবদান। তবু তাকে জাতীয় দলে ডাকেননি আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি।

আগামী মাসে হতে যাওয়া ইকুয়েডর ও বলিভিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের জন্য ঘোষিত ৩০ সদস্যের স্কোয়াডে ডি মারিয়া ও আগুয়েরোকে রাখেননি আর্জেন্টিনা কোচ। দীর্ঘদিন পর ফেরানো হয়েছে আলেজান্দ্রো গোমেজ, জিওভানি সিমিওনেদের। এছাড়া অধিনায়ক লিওনেল মেসিও নিষে’ধাজ্ঞা মুক্তির পর স্বাভাবিকভাবেই রয়েছেন স্কোয়াডে।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে গত মার্চে হওয়ার কথা ছিল বিশ্বকাপ বাছাইয়ের এই ম্যাচগুলো। করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় ৭ মাস পিছিয়েছে বাছাইয়ের খেলা। আগামী ৮ অক্টোবর ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ২০২২ বিশ্বকাপের টিকিটের লড়াই শুরু করবে আর্জেন্টিনা। পরে ১৩ অক্টোবর নামবে বলিভিয়ার বিপক্ষে।

বাছাইয়ের দুই ম্যাচের জন্য আর্জেন্টিনা স্কোয়াড

গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (অ্যাস্টন ভিলা), হুয়ান মুসো (উদিনেস), আগুস্তিন মার্চেসিন (পোর্তো)

ডিফেন্ডার: হুয়ান ফয়েথ (টটেনহ্যাম হটস্পার), রেনসো সারাভিয়া (ইন্টারনাসিওনাল), জার্মান পেজ্জেলা (ফিওরেন্টিনা), লিওনার্দো বালের্দি (মার্শেই), নিকোলাস ওটামেন্ডি (ম্যানচেস্টার সিটি), নেহুয়েন পেরেজ (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ), ওয়াল্টার কান্নেমান (গ্রেমিও), নিকোলাস তালিয়াফিকো (আয়াক্স), মার্কোস আকুনা (সেভিয়া), ফাকুন্দো মেদিনা (লেস)

মিডফিল্ডার: লেয়ান্দ্রো পারেদেস (পিএসজি), গিদো রদ্রিগেস (বেতিস), রদ্রিগো দে পল (উদিনেস), এজেকুয়েল পালাসিও (বায়ার লেভারকুজেন), জিওভানি লো সেলসো (টটেনহ্যাম হটস্পার), নিকোলাস ডোমিঙ্গেজ (বোলোনা), আলেক্সিস মাক আয়িস্তের (ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিওন), আলেজান্দ্রো গেমেস (আটলান্টা)

ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি (বার্সেলোনা), পাওলো দিবালা (জুভেন্টাস), লুকাস ওকামপোস (সেভিয়া), নিকোলাস গনসালেস (স্টুটগার্ট), হোয়াকিন কোররেয়া (লাৎজিও), লুকাস আলারিও (লেভারকুজেন), লাউতারো মার্টিনেস (ইন্টার মিলান), ভিওভানি সিমেওনে (কাইয়ারি) ও ক্রিশ্চিয়ান পাভোন (লা গ্যালাক্সি)।