অঝোরে কাঁদলেন ভিপি নুরের স্ত্রী

ডিবি কার্যালয়ের সামনে সন্তানকে সাথে নিয়ে অঝোরে কান্না করেন নুরের স্ত্রী মারিয়া আক্তার। এসময় নুরের স্ত্রী মারিয়া আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না এ ধরনের একটি মি’থ্যা গু’জব মা’মলায় নুরুকে গ্রে’ফতার করা হবে। আমি এ ধরনের পরিস্থিতির স্বীকার কখনো হইনি আর কখনো হবো তা কল্পনাও করিনি।

আমি কখনো ভাবিনি আমাকে এভাবে মিডিয়ার সামনে আসতে হবে। আমি আমার স্বামীকে ফেরত চাই আর কিছু চাই না। তিনি বলেন, আমি আমার স্বামীকে চিনি। দীর্ঘ ৫ বছর আমাদের সংসার। ও কেমন আমি জানি। ও কখনো এরকম কাজ করেনি। তিনি আরো বলেন, আমিতো মা, ওকে যখন গ্রে’ফতার করে নিয়ে আসতে যাবে তখন আমার সন্তান গাড়ির দরজার সামনে গিয়ে বলছে মা বাবা এসেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে আপনাদের এখনো কোনো কিছু জানানো হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন না আমাদেরকে এখনো পর্যন্ত কোনো কিছু জানানো হয়নি। ওকে যখন হাসপাতাল থেকে নিয়ে আসা হয় তখন আমাদের কে বলেছে ওকে নিউরোসার্জারি তে ভর্তি করা হবে।

আমাদেরকে মি’থ্যা বলে ওকে পেছনের দরজা দিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। সামনের দরজা দিয়ে ওকে নিয়ে আসেনি। আমি তখন বুঝতে পারছি ওকে নিয়ে যাচ্ছে। এর আগে বুঝতেও পারিনি ওকে নিয়ে যাচ্ছে। নুরের স্ত্রী বলেন, ও এমনিতে শারী’রিকভাবে অসুস্থ। কয়েকবার ও মাইর খাইছে। ওর বুকের পাজরে সমস্যা আছে। ওর মেরুদ’ণ্ডে দুইটা হাটুতে ফ্যাকচার।

এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার দিকে তাকে গ্রে’ফতার করা হয়। ধ’র্ষণের মামলার পাশাপাশি পুলিশের ওপর হা’মলার অভিযোগেও তাকে আ’টক করা হয়। এরপর তাকে নেয়া হয় ডিবি কার্যালয়ে। এর কিছুক্ষণ পরই তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চি’কিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপর সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ অনুযায়ী প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভিপি নূরকে নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ একটি মাইক্রোবাসে তুলে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যায়। বেরিয়ে যাওযার সময় নুরের সমর্থকরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন।