কী কারণে ধরা হলো আর ছাড়া হলো বুঝিনি : ভিপি নুর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরসহ ৭ জনকে আট’কের পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। ছাড়া পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নুর বলেন, আমরা বুঝিনি কী কারণে আমাদের ধরে আনা হলো আর কী কারণে ছাড়া হলো।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে বিক্ষো’ভ মিছিল থেকে নুরকে আ’টক করে পুলিশ। পরে তাকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে নেওয়া হয়। আট’কের ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই নুরকে ছেড়ে দেওয়ার কথা জানানো হলেও পুলিশ প্রহরায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চি’কিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক স্বা’স্থ্যগত পরীক্ষা শেষে তাকে আবারো নিয়ে যান ডিবি পুলিশের সদস্যরা। পরে রাত পৌনে ১ টার দিকে রাজধানীর মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয় থেকে নুরকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ডিবি অফিস থেকে বেরিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নুরুল হক নুর বলেন, আমাদের উপর অত’র্কিত হা’মলা করা হয়েছে। মা’রধরের কারণে অনেকেই অসুস্থ হয়েছেন। পরে মুচলেকা নিয়ে আমাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা জানিনা কেন গ্রে’ফতার করা হলো আর কেন ছাড়া হলো। তিনি বলেন, রাষ্ট্রয’ন্ত্রের কোনো অঙ্গের সঙ্গে কারো মিল নাই, কাজে-কর্মে মিল নাই। এ কারণে একজনে মা’রে, একজনে গ্রে’ফতার করে, আর আরেকজনে ছাড়ে, এটাই চলছে।

এই যে আজ আমরা মার খেলাম, আমরা তো কোন অপ’রাধী না। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আ’ন্দো’লনটা শেষ করে আসছিলাম। কিন্তু কোনোরকম উ’স্কানি ছাড়াই পুলিশ আ’ক্রমণ করলো। আসলে আমরা বুঝি নাই, কী কারণে আমাদের ধরে আনা হলো, আর কী কারণে ছাড়া হলো।

প্রসঙ্গত, রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বাদী হয়ে রাজধানীর লালবাগ থা’নায় একটি ধ’র্ষণ মা’মলা দায়ের করেন। মা’মলায় নুরসহ একাধিক জনকে আ’সামি করা হয়েছে। আ’সামিরা হলেন, হাসান আল মামুন, নাজমুল হাসান, নুরুল হক নুর, মো. সাইফুল ইসলাম, নাজমুল হুদা ও আবদুল্লাহ হিল বাকি। এরমধ্যে মূল অভিযুক্ত হাসান আল মামুন আর নুরের বিরু’দ্ধে ধর্ষ’ণে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ধ’র্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মা’মলার এজাহার গ্রহণ করেছেন আদা’লত। সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরা এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এজাহার দাখিলের জন্য পাঠান লালবাগ থা’নার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। আ’দালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।