যেভাবে গলায় আটকালো জ্যান্ত কই!

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার একটি বিলে মাছ ধরতে নেমেছিলেন শফিকুল ইসলাম নামের এক তরুণ। হাতড়ে পান একটি কই মাছ। সেটি রাখতে না রাখতেই পায়ের তলায় পান আরেকটি মাছ। দ্রুত প্রথম পাওয়া কই মাছটি মুখে কামড় দিয়ে দ্বিতীয় মাছটি ধরতে যান তরুণ। আর তখনেই ঘটে দুর্ঘ’টনাটি মুখের কইটি ঢুকে যায় গলায়।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার নোয়াবাদ গ্রামের পাশের বিলে এই ঘটনা ঘটে। মাছ শিকারি শফিকুল ইসলাম ওই গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে। এই ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ’স্ত্রো’পচার করে কই মাছটি বের করেন চি’কিৎসকরা। বর্তমানে শফিকুল শ’ঙ্কামুক্ত রয়েছে। তবে তাকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, শফিকুল গতকাল মঙ্গলবার বাড়ির পাশের বিলে মাছ ধরতে যায়। প্রথমে হাত দিয়ে সে একটি কই মাছ ধরে। সেই মাছটি রাখতে না রাখতেই আরেকটি মাছ তার পায়ের তলায় পড়ে। পরে আগে পাওয়া কই মাছটি মুখে কামড় দিয়ে দ্বিতীয় মাছটি ধরতে যায়। এ সময় মুখে কামড়ে ধরা মাছটি গলায় চলে যায়। পরে গুরুতর আ’হত শফিকুলকে স্থানীয়রা উ’দ্ধার করে জাফরাবাদ এলাকায় বেসরকারি প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ খান কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

সেখানে সন্ধ্যার পর নাক-কান-গলা বিভাগের প্রধান কামিনী কুমার ত্রিপুরার তত্ত্বাবধানে একদল চিকিৎসক অ’স্ত্রো’পচার করে কই মাছটি বের করেন। জানতে চাইলে হাসপাতালটির অধ্যক্ষ আ ন ম নৌশাদ খান আজ বুধবার বলেন, শফিকুল শ’ঙ্কামুক্ত হলেও তাকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) বিশেষ ন’জরদারিতে রাখা হয়েছে।

সূত্র: আরটিভি অনলাইন।