‘সাদামাটা’ জন্মদিন পালনের ‘কড়া নির্দেশনা’ প্রধানমন্ত্রীর

নভেল করোনাভাই’রাস সংক্র’মণ পরিস্থিতিতে সমসাময়িক সকল দিক বিবেচনা করে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার কর্মসূচি বা’তিল করে দিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাঁকজ’মকপূর্ণ বা বৃহৎ পরিসরে নয় সীমিত পরিসরে সাদামাটাভাবে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভার মধ্যেই আয়োজন সীমিত রাখার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের এক নেতাকে টেলিফোনে এই ‘কড়া বার্তা’ পৌঁছে দেন। জানা গেছে, পরবর্তীতে, ২৭ সেপ্টেম্বর পূর্বঘোষিত আলোচনা সভার স্থান সংশো’ধন করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে বলে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে দলের নেতারা সভানেত্রীর কার্যালয় ত্যাগ করা শুরু করেছেন এমন সময় এক নেতার মোবাইল ফোনে আওয়ামী লীগ সভাপতির কল আসে।

এ সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ২৮ সেপ্টম্বর তার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে বিকেল তিনটায় কৃষিবিদি ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের আলোচনা সভা বাতিলের নির্দেশ দেন। তার বদলে, জন্মদিনের আয়োজন সীমিত পরিসরে সাদামাটাভাবে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় অফিসে করার কড়া নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, তার জন্মদিন উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে প্রকাশিত পোস্টার কেনো এতো কালারফুল করা হয়েছে – সে বিষয়েও ক্ষো’ভ প্রকাশ করেন তিনি।

এছাড়াও, আওয়ামী লীগ সভাপতি ওই নেতাকে আগামী ৩ অক্টোবর গণভবনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের ব্যাপারে কিছু নির্দেশনা দেন। এর আগে, আওয়ামী লীগে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, নেত্রী তিনি নিজেও জন্মদিন পালনের ব্যাপার ইন্টারেস্টেড না। তারপরও এটা আমাদের দায়িত্ব। কারণ, শেখ হাসিনার জন্মদিন বাংলাদেশের জন্য একটা ঐতিহাসিক ঘটনা।

বঙ্গবন্ধু আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতার রোল মডেল আর শেখ হাসিনা আমাদের উন্নয়ন এবং অর্জনের রোল মডেল। তিনি দেশের জন্য যা অর্জন করেছেন, তা নজিরবিহীন। তিনিই বাংলাদেশকে বিশেষ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। তার জন্মদিন পালন না করলে আমরা জাতির কাছে অকৃ’তজ্ঞ থেকে যাবো।

সূত্র: আমাদের সময়।