এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধ’র্ষণ: যেভাবে গ্রে’ফতার হলেন ধ’র্ষক অর্জুন লস্কর

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধ’র্ষণ মা’মলার চার নম্বর আসামি অর্জুন লস্করকে গ্রে’ফতারে নানা কৌশল অবলম্বন করেছে পুলিশ। গো’য়েন্দা তৎপরতার পাশাপাশি ব্যবহার করা হয়েছে ত’থ্যপ্রযুক্তি। রোববার দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন হবিগঞ্জের মাধবপুর থা’নার ওসি ইকবাল হোসেন। এর আগে একইদিন ভোরে মাধবপুরের বহরা (মনতলা) ইউপির দুর্লভপুর গ্রাম থেকে গ্রে’ফতার করা হয় অর্জুন লস্করকে।

ওসি জানান, অর্জুন লস্করকে গ্রে’ফতারে সিলেট মহানগর গো’য়েন্দা পুলিশকে সহযোগিতা করে মনতলা পুলিশ ফাঁ’ড়ির একটি টিম। তাকে গ্রেফ’তারে শনিবার মধ্যরাত থেকেই গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হচ্ছিল। ত’থ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পরই দুর্লভপুর গ্রামে অভি’যান চালানো হয়। তিনি আরো জানান, যে গ্রাম থেকে অর্জুনকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে সেটি ভারতের সীমান্ত সংল’গ্ন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভারতে পালিয়ে যেতেই ওই গ্রামে অবস্থান করছিলেন তিনি।

অর্জুন লস্কর সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে। তিনি ধর্ষ’ণ মাম’লার চার নম্বর আসামি। এ নিয়ে ছয় আসা’মির মধ্যে দুইজনকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। এর আগে, মা’মলার প্রধান আ’সামি সাইফুর রহমানকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সীমান্তবর্তী নোয়ারাই খেয়াঘাট থেকে গ্রে’ফতার করা হয়। শুক্রবার রাতে সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধ’র্ষণের শিকার হন এক তরুণী। তাকে স্বামীর কাছ ছিনিয়ে কলেজের ছাত্রাবাসের একটি কক্ষে নিয়ে ধ’র্ষণ করে একদল যুবক। ওই সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে বেঁধে রাখে তারা।

এ ঘটনায় শাহপরান থা’নায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞা’ত আরো তিনজনের বি’রুদ্ধে মা’মলা করেন ধ’র্ষণের শিকার তরুণীর স্বামী। খবর পেয়ে ধ’র্ষণের শিকার তরুণী ও তার স্বামীকে উ’দ্ধার করে পুলিশ। ওই সময় আসা’মিদের একটি মোটরসাইকেল এবং ওই দম্প’তির ব্যবহৃত গাড়িটি উ’দ্ধার করা হয়। ধর্ষ’ণের শিকার তরুণীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রা’ইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।