অ্যাটর্নি জেনারেলের মৃ’ত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ

বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ও সিনিয়র আইনজীবী মাহবুবে আলমের মৃ’ত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার রাতে এক শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, দেশের আই’ন অঙ্গনে সু’প্রিম কো’র্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবে আলমের অবদান জাতি সবসময় শ্র’দ্ধার সঙ্গে স্মর’ণ করবে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, তিনি একজন প্রথিতযশা আইনজীবী হিসেবে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনেক আইনী বিষয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ভূমিকা রেখেছেন এবং সবসময় ন্যায়নি’ষ্ঠ থেকে আই’নপেশায় নিয়োজিত ছিলেন যা অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী মরহু’মের আ’ত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সম’বেদনা জানান।

প্রসঙ্গত, রোববার সন্ধ্যায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসা’ধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বা’স ত্যাগ করেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর জ্ব’র নিয়ে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি হন ৭১ বছর বয়সী মাহবুবে আলম। সেখানে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনাভাই’রাসের সংক্র’মণ ধরা পড়ে। চিকি’ৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ই সেপ্টেম্বর মাহবুবে আলমের শারী’রিক অব’স্থার হঠাৎ অব’নতি ঘটলে আইসিইউতে নেয়া হয়।

ওই সময় আইনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, মাহবুবে আলমের সর্বশেষ করোনাভাই’রাসের সংক্র’মণ পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ এসেছিল। মাহবুবে আলম ২০০৯ সালে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে নিয়োগ পান। তারপর মৃ’ত্যু অবধি ওই পদে ছিলেন। পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সর্বোচ্চ আদা’লতে একাত্তরে মানব’তাবি’রোধী অপ’রাধের মাম’লার বিচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন মাহবুবে আলম। এছাড়া সংবিধা’নের পঞ্চম, সপ্তম, ত্রয়োদশ ও ষো’ড়শ সংশোধনী মাম’লা পরিচালনাও করেন তিনি।