১৯ বার হা’মলা থেকে বেঁচে যান শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগের হাল ধরার পর থেকে ১৯ বার হা’মলার শিকার হয়েও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পিছপা হননি বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজও বেশিরভাগ হা’মলা-মাম’লার বিচার শেষ হয়নি। বাংলাদেশে পাকিস্তানি ভাবধারা প্রতিষ্ঠা করতে না পেরে, দোসররা বারবার বঙ্গবন্ধু কন্যাকে টার্গেট করেছে বলে মনে করেন ঘা’তক দা’লাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির। অপরদিকে আই’নের শাস’ন প্রতিষ্ঠায় দ্রুত সব মা’মলার বিচা’রের দাবি আই’নজ্ঞদের।

১৯৮১ সালে দেশে ফেরার বছরই শেখ হাসিনার উপর হামলা চালায় ফ্রিডম পার্টির স’ন্ত্রা’সীরা। দ্বিতীয় হা’মলা হয় ৮৮’র ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে। পরের বছর তাকে আবারও হ’ত্যার চেষ্টা করে ফ্রিডম পার্টির স’ন্ত্রা’সীরা। ১৯৯১ সালে ভোটের দিন হাম’লা চালায় বিএনপি কর্মীরা। ১৯৯৪ সালে ঈশ্বরদী ও নাটোরে শেখ হাসিনাকে বহনকারী রেলগাড়ি লক্ষ্য করে গু’লি ছোঁ’ড়া হয়।

১৯৯৫ ও ১৯৯৬ সালে দলের সমা’বেশে তাকে লক্ষ্য করে গু’লিবর্ষণ করা হয়। ১৯৯৯ সালে শোয়েব চৌধুরী শেখ হাসিনাসহ ৩১ জনকে হ’ত্যার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করে ই-মেইল পাঠায়। ২০০০ সালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শেখ হাসিনার জনসভাস্থলের পাশে ৭৩ কেজি ওজনের বো’মা পুঁতে রাখে জ’ঙ্গি’রা। পরের বছর সিলেটে শেখ হাসিনার জনসভাস্থলের কাছে বো’মা বি’স্ফো’রিত হয়। ২০০২ ও ২০০৪ সালে শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হা’মলা চালায় বিএনপি জা’মায়াতের ক্যা’ডাররা।

তৎকালীন বি’রো’ধী দলীয় নেতার ওপর সবচেয়ে বড় আ’ঘাত আসে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শান্তি সমাবেশে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠ’পোষকতায় গ্রে’নেড হা’মলা চালায় জ’ঙ্গী’রা।  সেই মা’মলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাব’জ্জী’বন ও অপর ১৯ জনের মৃ’ত্যুদ’ণ্ডের রায় দেন আ’দালত। তবে বেশিরভাগ মা’মলার বিচার আজও শেষ হয়নি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আবু বলেন, ২০০৭, ২০১১ ও ২০১৫ সালেও শেখ হাসিনার ওপর হা’মলার পরিকল্পনার অ’ভিযোগ পাওয়া যায়। আই’নের শা’সন প্রতিষ্ঠায় প্রতিটি ঘটনার বি’চার হওয়া উচিত।

সূত্র: আরটিভি নিউজ।