লাদাখকে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে মানি না, সীমান্তে উত্তে’জনা চিনের

চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েবিন মন্তব্য করেছেন, বেআই’নি ভাবে লাদাখ-কে নিজেদের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বলে ঘোষণা করেছে ভারত। পূর্ব লাদাখে শান্তি বজায় রাখার কথা বললেও এতদিনে ঝুলি থেকে বেড়াল বের করল চিন। এতদিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা ঠিক নেই বলে সুর চড়াচ্ছিল বেজিং। এবার লাদাখ যে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তা মানতেই অস্বীকার করল চিন।

চিনের সরকারি মুখপত্র গ্লোবাল টাইমস-এ দেশের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েবিন মন্তব্য করেছেন, বেআইনি ভাবে লাদাখ-কে নিজেদের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বলে ঘোষণা করেছে ভারত। চিন তা মানে না। এছাড়াও এই বিত’র্কিত এলাকায় ভারত যে নির্মাণকাজ করছে তারও বিরো’ধিতা করছে চিন। প্রশ্ন হল, লাদাখ তাহলে কার! ষাটের দশকের এক লড়াইয়ে লাদাখের একাংশ চিনের হাতে তুলে দিয়েছে পাকিস্তান। এখন গোটা লাদাখের ওপরেই নজর পড়ছে লাল ফৌজের।

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন গালওয়ানকে ঘিরে গোলমা’লের সময়ে একটু একটু করে ভারতীয় ভূখ’ণ্ডের দিকে এগিয়ে আসার চেষ্টা করছিল চিনা সেনা। তা বাধা দিতে গেলে ভয়’ঙ্কর কা’ণ্ড ঘটে যায়। চিনা সেনার সঙ্গে হাতাহাতি সংঘ’র্ষে শহিদ হন ২০ ভারতীয় জওয়ান। শুধু তাই নয়, গালওয়ান উপত্যকায় নির্মাণও শুরু করে দিয়েছিল চিনা সেনা।

চিনা মুখপাত্র ওয়াং আরও বলেন, ‘দুদেশের মধ্যে এখনও পর্যন্ত যে সমঝোতা হয়েছে তাতে ভারত ও চিন কেউই সীমান্ত এলাকায় কোনও সেনা তত্পরতা করবে না।’ চিন মুখে ওই কথা বললেও প্য়াংগংয়ে সেনা সংখ্যা বাড়িয়েছে চিন। পাল্ট ব্যবস্থা করেছে ভারতও। প্যাংগংয়ের দক্ষিণে একাধিক শিখরে ঘাঁটি গেড়েছে ভারতীয় সেনা।

মঙ্গলবারই বায়ুসেনা প্রধান এক অনুষ্টানে মন্তব্য করেছেন, দেশের উত্তর সীমান্তে যু’দ্ধও হচ্ছে না আবার শান্তিও নেই। এক অস্ব’স্তিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বায়ুসেনার প্রধানের ওই মন্তব্যের পর চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের ওই বক্তব্যে বোঝাই যায় আরও বড়সড় পরিকল্পনা রয়েছে চিনের।-জিনিউজ।