বিশাল ক্ষতির মুখে আর্মেনিয়া, যু’দ্ধে এগিয়ে আজারবাইজান

নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে যু’দ্ধে জড়িয়ে গেছে আর্মেনিয়া-আজারবাইজান। যু’দ্ধে দিন দিন বাড়ছে দুদেশের নি’হতের সংখ্যা। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত পর্যন্ত নি’হতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১ তে। যু’দ্ধে কে এগিয়ে আছে তা নিয়ে চলছে আলোচনা। জানা গেছে, কারাবাখ এলাকায় দখলদার আর্মেনিয়দের থেকে টালিশ গ্রাম ও এর আশেপাশে বেশ কয়েকটি ‘সুবিধাজনক উঁচু স্থান’ আজারবাইজানের সেনারা দখল করে নিয়েছে।

৪শ ভৌগলিক এলাকা লক্ষ্য করে ড্রোন, যু’দ্ধ বি’মান, ক্ষেপ’ণা’স্ত্র ও কা’মানসহ বিভিন্ন উপায়ে ব্যাপক হা’মলা চালাচ্ছে আজারবাইজানের সেনারা। ধারণা করা হচ্ছে এতে শতাধিক আর্মেনিয় সেনা নি’হত হয়েছে। মূলত গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে আর্মেনিয়ান বাহিনী আজারবাইজানের আবাসিক এলাকা ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হা’মলা চালালে সং’ঘর্ষ শুরু হয়। সোমবারের খবরে বলা হয়েছে, আর্মেনিয়ান অধিকৃত নাগার্নো-কারাবাখে আজারবাইজানের সামরিক বাহিনী নতুন মাত্রায় যু’দ্ধ শুরু করেছে।

আর্মেনিয়ান দখলদার নেতা আরায়িক হার্টিউইয়ান আজারবাইজানের সাফল্যের কথা স্বীকার করে বলেছিলেন, নতুন সংঘ’র্ষের ফলে তারা আজারবাইজানের সেনাবাহিনীর কাছে নাগার্নো-কারাবাখের কিছু এলাকা হারিয়েছে। তিনি আরো বলেন, এসময় সামরিক ও বেসামরিক লোক নি’হত হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানানো হয়, আজারবাইজান সেনারা সীমান্তের উঁচু পাহাড়ি এলাকা থেকে আর্মেনিয়ান সশ’স্ত্র বাহিনীকে হটিয়ে এসব সুবিধাজনক স্থানগুলোর দখল নিয়েছে। পাল্টা আক্র’মণ করে আজারবাইজান সেনারা সাফল্যের দ্বা’রপ্রান্তে।

লিখিত বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে যে, বিপুল সংখ্যক আর্মেনিয়ান সেনা নিহ’ত হয়েছে এবং “শ’ত্রুদের” ব্যাপক ক্ষ’য়ক্ষতি হয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় আর্মেনীয় বাহিনীর উপর ক্রমাগত রকে’ট, আর্টিলারি ও বিমান হা’মলা চালিয়ে তাদের অবস্থান থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। সাবেক সোভিয়েতভুক্ত এ দুটি দেশ ১৯৯০ সাল থেকেই আঞ্চলিক বিরো’ধে জড়িয়ে আছে। ২০১৬ সালে এসে তা মারা’ত্মক রূপ নেয়। এ প্রেক্ষাপটে জাতিস’ঙ্ঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস অবিলম্বে এই সংঘা’ত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যে নাগরনো কারাবাখ নিয়ে রোববার নতুন করে সংঘ’র্ষ শুরু হয়। ব্যাপক গো’লাগু’লির পর পরিস্থিতি যু’দ্ধাবস্থায় পৌঁছায়। এ প্রেক্ষা’পটে আর্মেনীয় সরকার সামরিক আই’ন জারি করে নিজ জনগণকে যু’দ্ধের জন্যে প্রস্তুত হতে বলেছে। আর্মেনিয়ার দাবি, প্রথমে আজারবাইজান বাহিনী তাদের বাহিনী লক্ষ্য করে গোলা ছোঁড়ে।

কিন্তু আজারবাইজান বলছে, আর্মেনিয়ার বাহিনীই প্রথমে তাদের সেনা ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে গো’লাব’র্ষণ করে।

সূত্র: ডেইলি সাবাহ, সময় নিউজ।