ডকুমেন্ট নেই, সৌদীর ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারছেন না অনেকে

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট না থাকায় ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারছে না সৌদি যেতে ইচ্ছূক প্রবাসীরা। এ বিষয়ে নির্ধারিত ৩১ ভিসা প্রসেসিং সেন্টারকে কোনো নির্দেশনা দেয়নি সৌদি দূতাবাস। এজন্য প্রতিদিন আ’ন্দো’লন এবং সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কাটছে না সংক’ট। অভিবাসন বিশেষজ্ঞ ও রিক্রুটিং এজেন্সির নেতারা বলছেন, মুখে মুখে সমাধান না দিয়ে কাগজে-কলমে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও সে তথ্য প্রবাসীদের কাছে সহজ ভাষায় পৌঁছে দেওয়া জরুরি।

ইকামা ও ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি এবং এয়ার টিকেটের দাবিতে প্রতিদিনই রাস্তায় নামছেন সৌদি প্রবাসীরা। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার-ই আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে সবাই সৌদি ফিরতে পারবেন। আর সে ক্ষেত্রে সৌদি দূতাবাস নির্ধারিত ৩১টি এজেন্সির মাধ্যমে ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছে সরকার। নিয়ম মেনে টিকেট সংগ্রহের পরামর্শ দিচ্ছে এয়ারলাইন্স কোম্পানিগুলো। সাধারণ নিয়মে ভিসা নবায়ন করতে একজন কর্মীর পাঁচটি ডকুমেন্ট সরবরাহ করতে হয়।

এরমধ্যে বর্তমান পেক্ষাপটে এই এসব ডকুমেন্ট আ’টকে পরা প্রবাসীদের হাতে নেই। তারা এও জানেন না কীভাবে কোথায় গিয়ে ভিসা নবায়ন করতে হবে। এমনকি দূতাবাস নির্ধারিত ওই ৩১ ভিসা প্রসেসিং সেন্টারের বেশ কয়েকটি ঘুরে জানা গেল, প্রবাসীদের ভিসা নবায়ন বিষয়ে তাদেরকে কোনো ধরনের নির্দেশনা দেয়নি ঢাকার সৌদি দূতাবাস। আরো কয়েকটি ভিসা প্রসেসিং সেন্টারে গিয়ে দেখা গেলো, সুনশান নিরবতা। একজন প্রবাসীও ভিসা নবায়নের কাজে আসেননি।

রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের সংগঠন বায়রার মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরি নোমান বলেছেন, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পেলে এই ভিসা প্রসেসিং সেন্টারগুলোর মাধ্যমে প্রবাসীদের ভিসা নবায়নের ব্যাপারে রিক্রুটিং এজেন্সিও সহযোগিতা করতে পারে। প্রবাসীরা আ’ন্দো’লনে না নেমে যাতে দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৌদি যেতে পারে সেজন্য সহজভাবে তাদের করণীয়গুলো তুলে ধরার পরামর্শ দিয়েছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর।

বাংলাদেশ বিমানের মতো সৌদি এয়ারলাইন্সেরও টিকিট সংগ্রহের তারিখ ও সম্ভাব্য ফ্লাইটের নোটিশ জানিয়ে দেওয়া উচিৎ বলে মনে করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীরা।