আদা’লত থেকে বাবার সাথে আর বাড়ি যাওয়া হলো না ফাঁ’সির আ’সামি মিন্নির

বরগুনার রিফাত হ’ত্যায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির ফাঁ’সির আদেশ দিয়েছেন আ’দালত। মিন্নি সহ ছয়জনকে ফাঁ’সির আদেশ দিলেও মুক্তি পায় আরো চারজন। আজ বুধবার মিন্নি তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সাথে সকাল পৌনে ৯টার দিকে আদা’লতে হাজির হন। এসময় মিন্নির মুখে সাদা মাস্ক ও সাদা থ্রিপিছ পরিহিত ছিলেন। প্রত্যেক দিন আদা’লত থেকে কাজ শেষ করে বাবার সাথে মোটরসাইকেলে চেপে বাড়ি গেলেও আজ ফাঁ’সির আ’সামি হয়ে পুলিশ ভ্যানে করে যেতে হচ্ছে জেলখা’নায়।

অন্যান্য দিন মিন্নিকে সাথে নিয়ে তার বাবা বের হলেও আজ মিন্নিকে ছাড়াই আদা’লত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন তিনি। মিন্নি এতদিন তার আইনজীবীর হেফাজতে জা’মিনে ছিলেন। আজ তাকে কারাগা’রে নিয়ে যাওয়া হবে। ফাঁ’সির দ’ণ্ডপ্রা’প্তরা হলেন মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত ফরাজী (২৩), আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন (২১), মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত (১৯), রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টি’কটক হৃদয় (২২), মো. হাসান (১৯) ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি (১৯)।

এছাড়া এ মাম’লায় চার আ’সামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে। খা’লাসপ্রাপ্তরা হলেন- মো. মুসা (২২), রাফিউল ইসলাম রাব্বি (২০), মো. সাগর (১৯) ও কামরুল হাসান সায়মুন (২১)। ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে মানুষের উপস্থিতিতে স্ত্রীর সামনে রিফাত শরীফকে (২৫) কু’পিয়ে হ’ত্যা করা হয়। পরে রিফাতকে কু’পিয়ে হ’ত্যার একটি ভি’ডিও ফেস’বুকে ছড়িয়ে পড়লে ভাই’রাল হয়।

ঘটনার পরদিন ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞা’ত আরও পাঁচ-ছয়জনের বিরু’দ্ধে মা’মলা করেন রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ। ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রা’প্তবয়স্ক দু’ভাগে বিভক্ত করে আদা’লতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এর মধ্যে প্রা’প্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রা’প্তবয়স্ক ১৪ জনকে আ’সামি করা হয়। মা’মলার চার্জশিটভুক্ত প্রা’প্তবয়স্ক আসা’মি মো. মুসা এখনও প’লাতক।