সর্বা’ত্মক যু’দ্ধে জড়িয়ে পড়ছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান

বিরো’ধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সর্বা’ত্মক যু’দ্ধে জড়িয়ে পড়ছে। গত চার দিনের সংঘা’তে বেসামরিক নাগরিকসহ শতাধিক মানুষের প্রাণ গেছে। তীব্র লড়াইয়ের মধ্যে উভয়পক্ষ সীমান্তে ভারী অ’স্ত্রশ’স্ত্র মোতায়েন করেছে। লড়াই শুরুর জন্য দু’পক্ষই একে অন্যকে দো’ষারোপ করছে। অন্যান্য দেশও সরাসরি আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘ’র্ষে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে উ’দ্বেগ বাড়ছে।

তুরস্ক আজারবাইজানকে সমর্থন দিলেও ওই অঞ্চলে তাদের মিত্র রাশিয়ার আর্মেনিয়ায় একটি সেনাঘাঁটি আছে। আবার আজারবাইজানের সঙ্গে রাশিয়ার রয়েছে সুসম্পর্ক। উভয়পক্ষকে দ্রুত একটি যু’দ্ধবিরতি চু’ক্তিতে যেতে বলেছে রাশিয়া। তবে এরই মধ্যে আর্মেনিয়া রাশিয়ার দেওয়া যু’দ্ধবিরতি প্রস্তাব না’কচ করে দিয়েছে। খবর :এএফপি, আলজাজিরা ও বিবিসি।

এদিকে চলমান লড়াইয়ে আর্মেনিয়ার দুই হাজার তিনশ সেনাকে নিষ্ফ্ক্রিয় করার দাবি করেছে আজারবাইজান।  গতকাল বুধবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নিজেদের অঞ্চলে চালানো হা’মলা প্র’তিহত করতে আজারবাইজান সেনাবাহিনীর পাল্টা হাম’লায় আর্মেনিয়ার এসব সেনাসদস্য নিহ’ত বা আহ’ত হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিপক্ষের ১৩০টি ট্যা’ঙ্ক, ২৫টি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, গো’লাবারু’দের পাঁচটি গুদাম, ৫০টি অ্যা’ন্টি-ট্যা’ঙ্ক ইউনিট ও ৫৫টি সাঁজোয়া যান ধ্বং’সের দাবি করেছে আজারবাইজান।

দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, কারাবাখের বি’চ্ছিন্নতাবাদীরা পালিয়ে টার্টার শহরে আশ্রয় নিয়েছে, সেখানে তারা বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করছে।

সূত্র: সমকাল।