সত্যি বলতে, ওদের কাজে আমার খুবই গর্ব হচ্ছে : রাসেল ডমিঙ্গো

লকডাউন এর সময় খেলা বন্ধ থাকায় ফিটনেসের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। নিজ উদ্যোগে নিয়মিত শরীর চর্চা করেছেন মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, তামিম ইকবাল, তাসকিন আহমেদ সহ জাতীয় দলের অধীনে থাকা সকল ক্রিকেটাররা। লকডাউনকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদ। এই সময়ে ওজন কমিয়েছেন তিনি। আগের থেকে এখন অনেক ফিট তাসকিন আহমেদ।

যার প্রমাণ আছে তিনি দিয়েছেন প্রস্তুতি ম্যাচে। লকডাউন এর সময় প্রতিদিনই ব্যক্তিগত অনুশীলনের পাশাপাশি ফিটনেস ঠিক রেখেছেন তাসকিন। যার ফল তিনি পাচ্ছেন এখন। আজ প্রস্তুতি ম্যাচে বোলিং করে ১৭ ওভারে ৪৫ রানের বিনিময়ে তিনটি উইকেট লাভ করেছেন তাসকিন। তাই ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন আহমেদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো।

“তাসকিন কঠোর পরিশ্রম করেছে। দারুণ ফিট হয়ে ফিরেছে সে। মুস্তাফিজ নতুন বলে ভালো শেইপ পাচ্ছে। উন্নতির ভালো ছাপ রাখতে পেরেছে সে। খালেদও চোটের পর ফিরে ভালো করছে। তরুণ হাসান মাহমুদও দারুণ করছে, খুব ভালো ভবিষ্যৎ ওর সামনে। দেশের বাইরে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে হলে, ভালো ফাস্ট বোলার লাগবেই। আমার মনে হয়, এই মুহূর্তে আমরা পথেই আছি।”

ছেলেদেরকে নিয়ে গর্ব হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান কোচ। “ছেলেরা যেভাবে কাজ করেছে, আমি খুবই সন্তুষ্ট। সত্যি বলতে, ওদের কাজে আমার খুবই গর্ব হচ্ছে। সবাইকে দারুণ ফিট মনে হচ্ছে। এখন যে ম্যাচ হচ্ছে, সবাইকে মনে হচ্ছে ভালো ছন্দে আছে। নেটে বোলারদের খুব ফিট মনে হয়েছে। তাসকিন যেমন, অবিশ্বাস্য কাজ করেছে। ওকে খুবই ভালো মনে হচ্ছে, যা দেখা রোমাঞ্চকর। ছেলেরা যে অবস্থায় আছে, আমি খুবই খুশি।”

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভালো একটি ফাস্ট বোলিং গ্রুপ তৈরি করার কথা জোর দিয়ে বলে আসছেন ডমিঙ্গো। তার মতে, এই প্রক্রিয়া ঠিক পথেই আছে। সেখানে আবারও তুলে ধরলেন তাসকিনের উদাহরণ। “একটা ফাস্ট বোলিং গ্রুপ গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আবার ইবাদত আছে, রাহি, তাসকিন, মুস্তাফিজ, খালেদ ও আল আমিন আছে এখন।

৬-৭ জন ফাস্ট বোলারের একটি গ্রুপ গড়ে উঠছে যারা খেলতে পারে সব সংস্করণেই। আশা করি শুধু দেশে নয়, বিদেশেও ওরা ভালো করবে আগামী কয়েক বছর।”