‘অধিনায়কের দায়িত্ব নিতে ইচ্ছুক না মুশফিক’

ফাইল ছবি

করোনার কারণে নানা অজুহাতের বেড়াজালে পড়ে শেষ পর্যন্ত হলো না শ্রীলঙ্কা সফর। বিসিবি জানিয়ে দিলো, ঘরোয়া ক্রিকেট ফেরানো হবে। সে লক্ষ্যেই কয়েকটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। এবার একটু সিরিয়াস ক্রিকেট প্রয়োজন। এ কারণে জাতীয় দল এবং এইচপি দলের ক্রিকেটারদের ভাগ করে আয়োজন করা হচ্ছে তিন দলের

এরই মধ্যে তিন দলের জন্য ১৫ জন করে মোট ৪৫ জন ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করে ফেলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শুধু তাই নয়, তিন দলের জন্য তিনজন অধিনায়কও নির্বাচন করে ফেলেছে বিসিবি। তবে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, একদলের অধিনায়কের নাম। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর তামিম ইকবালের পাশে সিনিয়র কোনো ক্রিকেটার নন, তৃতীয় দলটির নেতৃত্ব দেবেন তরুণ ক্রিকেটার নাজমুল হোসেন শান্ত।

মুশফিকুর রহীম, মুমিনুল হক, লিটন দাস থেকে শুরু করে আরও কত সিনিয়র খেলোয়াড় আছেন, তাদেরকে কেন নেতৃত্ব দেয়া হলো না? এর জবাব দিয়েছেন স্বয়ং বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। গতকাল বিকেলে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে নাজমুল হোসেন শান্তকে অধিনায়ক নির্বাচন করার রহস্য জানালেন বিসিবি সভাপতি।

বিসিবি সভাপতি পাপন বলেন, ‘এখানে তামিম একটা দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, মুশফিক একটা দলে আছে কিন্তু সে নেতৃত্ব দিবে না। ওই দলের নেতৃত্ব দিবে শান্ত (নাজমুল হোসেন)। আরেকটাতে মাহমুদউল্লাহ আছে। ওটায় সে নেতৃতে দিবে।’

মুশফিকের নেতৃত্ব দিতে না চাওয়া নিয়ে পাপন বলেন, ‘মুশফিক নাকি নেতৃত্ব দিতে ইচ্ছুক না, আজকে সে এটা নিশ্চিত করেছে। না হয় ওর নামও ছিল (মূলতঃ মুশফিক নেতৃত্ব দিতে না চাওয়ার কারণেই শান্তকে এই দল থেকে বেছে নেয়া হয় অধিনায়কত্বের জন্য)। এই তিনজন, এদের ভাগ করে আমরা দল করেছি। কোনটাতে সৌম্য আছে, কোনটাতে লিটন আছে, কোনটায় মুস্তাফিজ, কোনটায় রাহী আছে। এভাবেই আমরা ভাগ করে দিয়েছি। মোটামুটি তিনটাই ভালো দল হয়েছে। ১১ তারিখ শুরু হবে এবং ২৩ তারিখ ফাইনাল হবে।’

তিন দলের এই ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনাল টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন পাপন। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘তিনটা দল নিয়ে আমরা একটা টুর্নামেন্ট করছি এবং ফাইনালটা টিভিতে দেখানোর চিন্তা ভাবনা করছি। যাতে লাইভ টেলিকাস্ট হয়। এর আগের প্রত্যেকটা ম্যাচ লাইভ স্ট্রিমিং তো হবেই এবং রেডিওসহ অন্যান্য মাধ্যমেও এটা আমরা করতে যাচ্ছি।’

প্রতি দলের সদস্য সংখ্যা হচ্ছে ১৫জন করে। শর্ত হচ্ছে এই ১৫ জনের সবাইকে অন্তত ২টি ম্যাচ খেলাতে হবে। পাপন বলেন, ‘১১ তারিখ থেকে একটা টুর্নামেন্ট চালু করতে যাচ্ছি। তিনটা দল করছি আমরা। এটা ওয়ানডে টুর্নামেন্ট হবে এবং এই তিনটাতে যতজন ক্রিকেটার সম্ভব আমরা অন্তর্ভূক্ত করতে পারি। শর্ত হবে প্রতি দলে ১৫ জন করে ক্রিকেটার থাকবে, তাদের অন্তত দুটো করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতে হবে। এরকম কিছু শর্ত দিয়ে আমরা দল করেছি। মোটামুটি সুন্দর দল হয়েছে বলে আমাদের ধারণা, যেটা চূড়ান্ত হল।’