এইচএসসির ফরম পূরণ : টাকার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আটকে থাকা এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এবার হচ্ছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে তাদের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, এইচএসসি ও সমমানের ফরম পূরণে শিক্ষার্থীদের দেওয়া টাকার কী হবে? তবে আন্ত শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফরম পূরণের বেশির ভাগ টাকা ব্যয় হয়ে গেছে। বাকি টাকার ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এইচএসসি পরীক্ষার ফি বাবদ পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে পত্রপ্রতি ১০০ টাকা, ব্যাবহারিকের ফি বাবদ পত্রপ্রতি ২৫ টাকা, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের ফি বাবদ পরীক্ষার্থীপ্রতি ৫০ টাকা, মূল সনদ বাবদ ১০০ টাকা, বয়েজ স্কাউট ও গার্লস গাইড ফি বাবদ ১৫ টাকা এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ফি বাবদ পরীক্ষার্থীপ্রতি পাঁচ টাকা নেওয়া হবে। এ ছাড়া অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীপ্রতি ১০০ টাকা অনিয়মিত ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

কেন্দ্র ফি বাবদ প্রতি পরীক্ষার্থীকে ৪০০ টাকা ও ব্যাবহারিক পরীক্ষার ফি বাবদ পরীক্ষার্থীদের পত্রপ্রতি ২৫ টাকা দিতে হয়েছে। অর্থাৎ বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে শিক্ষার্থীদের পৃথক টাকা দিতে হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বোর্ড ফি দিতে হয়েছে। তবে বাস্তবে অনেক কলেজই বোর্ডের ধার্য করা ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেছে।

শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল, প্রশ্নপত্র-উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) তৈরি, কেন্দ্র ব্যবস্থাপনাসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল। এতে অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের টাকা দিয়েই করা হয়েছে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে নম্বরপত্র, সনদের জন্যও অর্থের প্রয়োজন হবে।

আন্ত শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা পরীক্ষার পুরো প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। তাই শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের বেশির ভাগ টাকাই খরচ হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে আরো খরচ আছে। তবে যেহেতু পরীক্ষা হয়নি, তাই কিছু টাকা থাকবে। কিন্তু এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগে আমরা মূল্যায়নের কাজটি শেষ করতে চাই।’

সূত্র: কালের কণ্ঠ অনলাইন।