ঢাকা-৫ আসনে, স্বাধীনতা সংগ্রামের নৌকার কান্ডারি কাজী মনিরুল ইসলাম মনু

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন আর একাত্তরের মহান মুক্তির লড়াইয়ে তিনি ছিলেন সামনের সারিতে। ঢাকা-৫ আসনে, স্বাধীনতা সংগ্রামের নৌকার কান্ডারি তিনি, কাজী মনিরুল ইসলাম মনু।

কাজী মনিরুল ইসলাম মনু বলেন ডেমরা যাত্রাবাড়ী মিলিয়ে ২০ লক্ষ মানুষ বসবাস করে এর মধ্যে ভোটার সংখ্যা আছে ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার। ডেমরা এলাকায় ছোট বড় মিল-কলকারখানা রয়েছে অনেক যেখানে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষের। তিনি বলেন সাতশো আটশো টাকা বেতন দিয়ে ছেলে মেয়েদের লেখা পড়া করাতে অনেক অভিভাবকদের কষ্ট হয়। আমি নির্বাচিত হলে ডেমরায় দুটি সরকারি স্কুল এবং যাত্রাবাড়ী এলাকায় দুটি সরকারি স্কুল ও একটি কলেজ করার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবো।

আমাদের ডেমরা যাত্রাবাড়ী এলাকায় ৬২ টা স্কুল আছে। সেখানে দেখা যায় প্রতিটি স্কুলের মধ্যে যেই গর্ভানিং বডি আছে, এদের মধ্যে অনেকেরই স্কুলের গর্ভানিং বডির সভাপতি হওয়ার যে নূন্যতম যোগ্যতা তা তাদের মধ্যে নেই তবে আমি নির্বাচিত হলে অভিভাবকদের সাথে নিয়ে বিষয়গুলো তদন্ত্র করে দেখবো এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে সকল ধরণের পদক্ষেপ নেব।

ডেমরা যাত্রাবাড়ীতে ভালো কোন হাসপাতাল নেই আমি নির্বাচিত হয়ে আসতে পারলে স্বাস্থ্যসেবা আধুনিকায়নে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট একটি হাসপাতাল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো। ডেমরা-যাত্রাবাড়ীর মধ্যে তেমন কোন খেলার মাঠ নেই শিশু-কিশোরদের খেলা-ধুলা, বিনোদনের জন্য ডেমরায় এবং যাত্রাবাড়ীতে দুটি মাঠ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমি বিশেষভাবে অনুরোধ করবো।

আমি এই মন্তব্য করতেও শুনেছি ডেমরা সারুলিয়ার জনগণ ঢাকার আলোক সজ্জার দিকে তাকিয়ে বলতো আলোর নীচে অন্ধকার। তাদের মধ্যে এই আক্ষেপ যাতে না থাকে সেই ব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ। জলাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় ডেমরা সারুলিয়ার মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারতো না, রাস্তায় হাটু পরিমাণ পানি জমে থাকতো। সেই সব এলাকায় ডীপ ড্রেন করে শীতলক্ষ্যা বা বুড়িগঙ্গা সংযোগ করে দিব। ঢাকা-৫ আসনে কোন সন্ত্রাস, ভ‚মি দখলদার এবং চাঁদাবাজদের জায়গা হবে না।

বিশেষ করে আমাদের ডেমরা যাত্রাবাড়ী এলাকায় যে মাদকদ্রব্য বেচাকেনা ও সেবন করা হয় সেই সব এলাকায় বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং এলাকার জনগণকে সাথে নিয়ে মাদকনির্মূলের চেষ্টা করবো। যাতে করে কোন বাবা মায়ের সন্তানেরা এ রাস্তায় না আসে।বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হলেও এখন পর্যন্ত পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন হয়নি। আমি নির্বাচিত হলে পুর্ণাঙ্গ কমিটি করে দিব।

তিনি আরো বলেন, পদ ছাড়াই নেতাকর্মীরা গাড়ি ভরে ভরে বিভিন্ন মিটিং মিছিলে যায় এ থেকে বুঝা যায় তারা কতটুকু আওয়ামী লীগকে ভালোবাসে। আমি নির্বাচিত হলে ঢাকা-৫ আসনের আওয়ামী লীগের রাজনীতি আরো গুছিয়ে আনার চেষ্টা করবো। যখন ইউনিয়ন থেকে সিটি কর্পোরেশন হয় তখন মীরহাজীবাগ ছিল একটা গ্রাম। সেই সময় আমি মীরহাজীবাগের রাস্তাঘাট, পানির ব্যবস্থা, সুয়ারেজ লাইন, ডীপ টিউবল, বিদুৎ, গ্যাস লাইন অলিতে গলিতে স্থাপন করে দেই এবং আমি আমার সাধ্যমত কাজ করেছি। বিপদে-আপদে মানুষের পাশে থেকেছি।

অবশেষে বলবো বিগত সময় আমি কোন অন্যায় কাজের সাথে জড়িত ছিলাম না। দীর্ঘদিন ডেমরা, যাত্রাবাড়ী থানার সভাপতি ছিলাম, কাউন্সিলরও নির্বাচিত হয়েছিলাম। কাউন্সিলর থাকা অবস্থায় আমার জানামতে কোন অন্যায় অপরাধ করি নাই। মানুষ অন্যায় অপরাধ করে যুবক অবস্থায় আমি যখন প্রথম কাউন্সিলর হই আমার বয়স ছিল ২৮ বছরের টকবগে যুবক, তখনই কোন অন্যায় আমার দ্বারা হয়নি এবং কেউ কষ্ট পায়নি আশাকরি আগামীতেও কেউ কষ্ট পাবে না।

ঢাকা -৫ আসনের জনগণকে অনুরোধ করবো ১৭ অক্টোবরের উপনির্বাচনে আমাকে নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।